নারী দিবসঃ আদিবাসী নারীর অধিকার অর্জনে সংগ্রামী হই

নারী দিবসঃ আদিবাসী নারীর অধিকার অর্জনে সংগ্রামী হই

আজ ৮ মার্চ। আন্তজার্তিক নারী দিবস। সারা বিশ্বের নারী সমাজকে আমরা নারী দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। এবছর নারী দিবসে জাতিসংঘের স্লোগান Think equal, build smart, innovate for change. এই প্রতিপাদ্যে জেন্ডারসমতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা, সরকারী সেবায় গমন বা অংশগ্রহণ এবং টেকসই কাঠামোর উপর গুরুত¦ দেয়া হয়েছে। সমাজে নারীর সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এবং রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পারিবারিক সকল ক্ষেত্রে নারীর প্রতি চলমান বৈষম্য, শোষণ, বঞ্চনা, নিপীড়ন, সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সংগ্রামসহ সমাজ প্রগতির আন্দোলনে ৮ মার্চ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন।

১৯৭৫ সালে যে সময় জাতিসংঘ কর্তৃক ৮ই মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয় ঠিক সেই সময়ে ৩৫ জন পাহাড়ী নারী অধিকার আদায়ের লক্ষে শান্তিবাহিনীতে যোগদান করেন। তাঁরা হয়ত অনেকেই আজ বেঁচে নেই। এইদিনে তাদেরকেও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। সমতল অঞ্চলে বিপ্লবী আদিবাসী নারী হাজংমাতা রাশিমণি হাজং এবং সাঁওতাল বিদ্রোহে ফুলমণি’র বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম এবং পাহাড়ে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী কল্পনা চাকমার সাংগঠনিক তৎপরতা প্রান্তিক মানুষের সংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে।

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও এদেশের আদিবাসী নারীরা রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। বলাবাহুল্য, ইতোমধ্যে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নারীর সম-অধিকার ও সম-মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্ব পেলেও বাস্তবে গুণগত ও সামগ্রিকভাবে বিশ্বের দেশে দেশে নারীরা এখনও শোষণ, বঞ্চনা, অবহেলা, নিপীড়ন ও সহিংসতার শিকার হয়ে চলেছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নারীরা প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লংঘন এবং জাতিগত আগ্রাসন, সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার হতে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা পাহাড় বা সমতলে কঠিন সংগ্রাম ও লড়াই করে বেঁচে আছে। দেশব্যাপী আদিবাসীদের উন্নয়নের নামে ভূমি দখল, ভূমির কারণে নারীর উপর শ্লীলতাহানির মত মানবাধিকার লঙ্ঘন, মিথ্যা মামলা, আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সেটেলার প্রেরণ, সামরিকীকরণ, আদিবাসী এলাকায় খনিজ সম্পদ উত্তোলনের ফলে ভূমি উচ্ছেদকরণ প্রভৃতি ঘঁনা ঘটে চলেছে। সামাজিক প্রেক্ষাপটেও আদিবাসী নারীরা খুবই প্রান্তিক অবস্থায় বসবাস করছে। আদিবাসী নারীরা জাতিগত, লিঙ্গগত, ভাষাগত, ধর্মীয়গত এবং শ্রেণীগত কারণে বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে এসব কারণে বাংলাদেশের আদিবাসী নারীরা বিভিন্ন ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়।

স্বাধীনতার চার দশকে অর্থনৈতিক ও মানবিক উন্নয়নে বাংলাদেশের অর্জন একটি বৈশ্বিক দৃষ্টান্ত। নারী-পুরুষ বৈষম্য বা জেন্ডার ব্যবধান হ্রাসে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে উন্নীত হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে নারীদের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের সামগ্রিক নারী সমাজের সাথে আদিবাসী নারীরাও এগিয়ে যাচ্ছে এবং নিজ সমাজের উন্নয়নে, আদিবাসী অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু এদেশের ভিন্ন ভিন্ন ৫৪টির অধিক আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর ৩০ লক্ষাধিক আদিবাসীর অর্ধেক অংশ, এই আদিবাসী নারীদের যুগ যুগ ধরে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় বৈষম্য, বঞ্চনা, নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। যা তাদের টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্বের পথকে রূদ্ধ করে তুলছে।

এমডিজি থেকে দেশের আদিবাসীরা সুফল লাভ করেনি। তাদের কাছে পৌঁছেনি এমডিজি-এর সেই কাক্সিক্ষত উন্নয়নের ছোঁয়া। তাই তারা এসডিজি বাস্তবায়নে তাদের অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে চায়। তারা পিছিয়ে থাকতে চায় না। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (২০১৫/১৬-২০১৯-২০) বেশ কিছু উদ্যোগের কথা বলা হলেও আদিবাসীদের জন্য তা যথেষ্ট নয় । বিশেষ করে আদিবাসী নারীদের সমতা ও ক্ষমতায়নের ব্যাপারে এ পরিকল্পনায় তেমন কোন উদ্যোগ নেই।

আদিবাসীদের বিষয়ে সরকারের কোন স্বতন্ত্র পরিসংখ্যান নেই। কিন্তু জাতি-বর্ণ-লিঙ্গ-পেশা নির্বিশেষে সকল ক্ষেত্রে এসডিজি বাস্তবায়ন সফল করতে গেলে এবং ‘কাউকে পেছনে ফেলে না রাখা’ Ñ এসডিজির অন্যতম এই স্পিরিট বাস্তব রূপদান করতে চাইলে অবশ্যই এসডিজি বাস্তবায়নে আদিবাসী জাতিসমূহকে দৃশ্যমান করতে হবে, তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং তজ্জন্য আদিবাসীদের পৃথক পরিসংখ্যানের কোন বিকল্প নেই।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে শিশুরা কম ওজনে জন্মগ্রহণ করে থাকে। এটা কেবল শিশুদের দুর্বল স্বাস্থ্যের জন্য নয়, চরম পুষ্টিহীনতাও এর একটি অন্যতম কারণ। পার্বত্য চট্টগ্রাম শিশু মৃত্যুর হার জাতীয় গড় থেকে অনেক বেশী। এই চিত্র দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাসকারী আদিবাসী জাতিসমূহের বেলায় আরো বেশী করুণ তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া অধিকাংশ আদিবাসীদের বসতি দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় আদিবাসীরা, বিশেষ করে নারীরা সীমিত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করে থাকে। অপ্রতুল স্বাস্থ্যসেবা, অপুষ্টিজনিত, টিকাদান কর্মসূচীর অভাবে এবং দক্ষ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকার কারণে অনেক অসহায় আদিবাসী নারী ও শিশু মারা যায়।

নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষার জন্য জাতীয় বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা থাকলেও আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুদের জন্য নির্দিষ্ট কোন নীতিমালা নেই। সংবিধানে নারীর জন্য জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পৌরসভাসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের জন্য আইন পাশ হয়। এতে জাতীয় স্তরে ও স্থানীয় প্রশাসনে নজিরবিহীনভাবে নারীর অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু আদিবাসী নারীদের জন্য জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় সরকার পরিষদগুলোতে কোন আসন সংরক্ষিত নেই। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা ২০১১-এ আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুদের জন্য বিশেষ কোনো কিছু উল্লেখ নেই।

বাজার প্রক্রিয়ায় সীমিত প্রবেশাধিকার, স্বাস্থ্য সেবা, কর্মসংস্থান, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সুবিধা, শিক্ষা, প্রথাগত উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত ছাড়াও শ্লীলতাহানির শিকার, নারী পাচার, পারিবারিক নির্যাতন ও দীর্ঘদিন সামরিক শাসন আদিবাসী নারীদের আরো বেশি প্রান্তিকতায় ঠেলে দেয়। এছাড়া বারবার উচ্ছেদের কারণে আদিবাসী নারীরা আরো বেশি প্রান্তিকতার শিকার হয়। গভীর উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, এসব অপরাধের যথাযথ বিচার হয়নি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হয়নি। গত বছর, ২০১৮ সালে প্রায় ৫৩ জন আদিবাসী নারী ও শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছে। তন্মধ্যে সমতলে ২২ জন আর ৩১ জন পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে।

আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হল রাষ্ট্রের সাম্প্রদায়িক নীতি, দোষীদের দায়মুক্তি অর্থাৎ শাস্তির আওতায় না আনা, বিচার বিভাগের প্রলম্বিত বিচার প্রক্রিয়া ও বিরুপ পরিবেশ, বিচার ব্যবস্থা সর্ম্পকে আদিবাসীদের সচেতনতার অভাব ও অনভিজ্ঞতা, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্নীতি ও অনিয়ম, আদিবাসীদের দুর্বল প্রথাগত অনুষ্ঠান, ভূমি জবরদখল ও ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়া, সহিংসতার শিকার নারী ও শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত আইনি ও বস্তগত সহায়তার অভাব, ঘটনার অব্যাহত অনুগামী কর্মসূচী ও পরিবীক্ষণের অভাব, ঘটনার শিকার পরিবারের নিরাপত্তার অভাব, জাতীয় মানবাধিকার ও নারী সংগঠনের বলিষ্ঠ ভূমিকার অভাব ইত্যাদি।

আদিবাসী নারীর উপর সংঘটিত যৌন হয়রানি, ধর্ষণ হত্যা ও অপহরণের বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা হয়েছে তার কোন উদাহরণ নেই যে দোষী ব্যক্তিরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পেয়েছে। দেশের সমতল অঞ্চলে দু/একটি মামলার আদালত অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত ও শাস্তির রায় দিলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে অধিকাংশ ঘটনায় ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। ফলশ্রুতিতে অপরাধীরা সম্পূর্ণভাবে দায়মুক্তি পেয়ে থাকে। ফলে সহিংসতার শিকার আদিবাসী নারীরা ন্যায় ও সুবিচার থেকে বরাবরই বঞ্চিত হয়ে আসছে।

১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো এখনো অবাস্তবায়িত অবস্থায় রয়েছে, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী পাহাড়ি নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকারে, সর্বোপরি রাজনৈতিক অংশগ্রহণে বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মোতাবেক পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ; সাধারণ প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা, পুলিশ, ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, বন ও পরিবেশ ইত্যাদি বিষয় হস্তান্তর পূর্বক আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্বলিত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশেষ শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে ভোটার তালিকা পূর্বক এসব পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা; সকল অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহার; ভূমি কমিশনের বিধিমালা প্রণয়ন পূর্বক ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি; প্রত্যাগত পাহাড়ি শরণার্থী ও পাহাড়ি উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন প্রদান; পার্বত্য চট্টগ্রাম সকল চাকরিতে পাহাড়ি অগ্রাধিকারের ভিত্তিদের নিয়োগ প্রদান; সেটেলার বাঙালিদেরকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনক পুনর্বাসন প্রদান ইত্যাদি চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ বাস্তবায়িত না হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী পাহাড়ি নারী ও কন্যাশিশুদের নানা সহিংসতার শিকার হচ্ছে এবং তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ভূমি অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আদিবাসী পাহাড়ি নারীর নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের স্বার্থে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূনের যথাযথ, দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কোন বিকল্প নেই।

সুপারিশমালা
১.আদিবাসী নারীর সকল মানবাধিকার নিশ্চিত করা।

২.জাতীয় সংসদে অঞ্চলভিত্তিক এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় আদিবাসী নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

৩.আদিবাসী নারী ও শিশুর উপর সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরাপত্তা জোরদার করা।

৪.আদিবাসী নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা এবং সহিংসতার শিকার আদিবাসী নারী ও শিশুদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা প্রদান করা।

৫.এসডিজি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও নারী উন্নয়ন নীতিমালায় আদিবাসী নারীদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং সকল ধরনের নীতিমালা গ্রহনের পূর্বে আদিবাসী নারী নেতৃবৃন্দের পরামর্শ গ্রহণ করা।

৬.পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন করা এবং এ লক্ষ্যে সময়সূচি ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) ঘোষণা করা।

৭.আদিবাসী নারীদের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং আদিবাসী মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু কমানোর লক্ষ্যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৮.ভূমি ও সম্পত্তির উপর আদিবাসী নারীদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং বন, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আদিবাসী নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করা।

৯.শিক্ষা কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে আদিবাসী নারীদের জন্য কোটা নিশ্চিত করা এবং আদিবাসী বিধবা ও বয়স্ক ভাতা নিশ্চিত করা।

১০.পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য নারীদের সকল ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে একটি বিশেষ সেল গঠন করা।

সমচিন্তায়, সমভাবে ও সমাজ বিকাশে আদিবাসী নারীর অধিকার অর্জনে সংগ্রামী হই

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০১৯

৮ মার্চ, বকুলতলা, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
………………………………..
বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্ক

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক মন্তব্য