রাঙ্গামাটিতে ভূমি কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটিতে ভূমি কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আনোয়ার-উল হক।

বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা, রাঙ্গামাটি চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিষ্টার রাজা দেবাশীষ রায়, খাগড়াছড়ির মং সার্কেল চিফ সাচিং প্রু চৌধুরী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, ভুমি কমিশনের সচিব মো. আলী মনসুর ও রেজিষ্টার সাহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চলমান কার্যক্রম সংক্রান্ত আলোচনা চলে। বৈঠক শেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আনোয়ার-উল হক সংক্ষিপ্ত ব্রিপিংয়ে বলেন, ভারত প্রত্যাগত শরনার্থী ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা এগুলো যাচাই-বাছাই করব। উদ্বাস্তুদের মধ্যে তাদের ভূমি ফেরত দিয়েই ভূমি কমিশনের কাজ শুরু করা হবে। বিধিমালা প্রণয়নের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। হাতে পেলেই কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে দ্রুতই ভূমি কমিশনের দুটি শাখা অফিস খোলা হবে। শাখা অফিসের জন্য কাজ প্রক্রিয়াধীন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা ভূমি কমিশনের প্রবিধান দ্রুত প্রণয়নের দাবি জানান। তিনি বলেন, বৈঠকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেছি। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কাজ বসে নেই। সব কাজ প্রকিয়াধীন। কমিশনের কাজ আরও ত্বরান্বিত করা দরকার। প্রবিধান প্রণয়ন না হলে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়া যাবে না। এ ছাড়া ভূমি কমিশনকে দ্রুত কার্যকর করতে লোকবলও নিয়োগ দিতে হবে। এটার দায়িত্ব সরকারের। এটা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাজ এগিয়ে নিতে পারব না।

চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় বলেন, ভূমি কমিশনের একটি খসড়া বিধিমালা সরকারের কাছে বিবেচনায় রয়েছে। বিধিমালা প্রণয়নের জন্য আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানয়েছি। এটি বাস্তবায়ন হলে পার্বত্যবাসী কাজের অগ্রগতি দেখতে পাবে। আশা রাখছি আইনটি দ্রুত পাশ হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক মন্তব্য