প্রসঙ্গ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২২ বছরঃ সোহেল হাজং

প্রসঙ্গ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২২ বছরঃ সোহেল হাজং

গত ২ ডিসেম্বর ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২২ বছর। ২২ বছর পূর্বে রাষ্ট্র যে চুক্তিটি করেছে তা বাস্তবায়িত হয়েছে কীনা এমন প্রশ্ন বা পর্যালোচনা চলে আসতেই পারে বিভিন্ন মহল থেকে। এর সহজ উত্তরে নির্দ্বিধায়বলা যায়, এতো বছরেও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি। এখন চুক্তির কত অংশ বাস্তবায়িত হলো আর কত অংশ বাস্তবায়িত হয়নি সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। কারণ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এখানে যদি কোন অংশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে দেখানো হয় তাহলে সে চুক্তির আর পূর্ণ মর্যাদা থাকে না। উভয়ের আস্থা ও বিশ্বাসের মধ্যে ভাঙ্গন দেখা দেয়। তদুপরি, চুক্তি করার সময় এমনটি কোথাও লেখা ছিল না যে, এই চুক্তি পূর্ণবাস্তবায়নে ২২ বছরের অধিক সময় লেগে যাবে! ২২ বছর কিন্তু কম সময় নয়। চুক্তির বাস্তবায়ন হলে এ ২২ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামের অবস্থা ভিন্ন অবস্থানে পৌঁছে যেত আবার চুক্তিটি না হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের অবস্থা অন্যভাবে দেখা দিত কিন্তু চুক্তির পর চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় যে পরিস্থিতি এখন পার্বত্য চট্টগ্রামে সৃষ্টি হয়েছে এটি কারো কাম্য ছিল না। এ সত্যটিই এখন মেনে নিতে হচ্ছে। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের সময় যতো পিছিয়ে যাচ্ছে এ চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার আশঙ্কা মানুষের মনে ততো বেড়ে যাচ্ছে। দার্শনিক সক্রেটিস একটি কথা বলেছেন, ‘জ্ঞান যতক্ষণে কর্মে পরিণত না হয় ততক্ষণে তাকে জ্ঞান বলা যায় না’। ঠিক সেভাবে, চুক্তি সম্পাদন করে সে চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হলে এক সময় চুক্তিটি চুক্তি হিসেবে মর্যাদার জায়গাটিও হারিয়ে ফেলবে। আমরা অবশ্যই সেটা চাই না।

সারাবছর আমরা একটি বিষয় নিয়ে যতটা হৈচৈ করি তার চেয়ে বেশি করি একটি নির্দিষ্ট সময় আসলে। ২ ডিসেম্বর সে এক বিশেষ দিনযা এবারও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। মাননীয় রাষ্ট্রপতি মো আব্দুল হামিদও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুক্তির ২২ বছরপূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত ক্রোড়পত্রে আলাদা আলাদা শুভেচ্ছা বাণী দিয়েছেন। এ দিনটিকে ঘিরে সরকার, চুক্তির দুই পক্ষ, বিভিন্ন সংগঠন, জনগণ বিভিন্নভাবে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। এসময় মিডিয়াগুলোও ছিল এ বিষয়ে খুবই সোচ্চার। আমরা দেখেছি, কোন পক্ষের নিকট এটি ছিল আনন্দের উৎসব আবার অন্য পক্ষের কাছে তা দুঃখ ও হতাশার। এবারের দিবসটিকে ঘিরে বিভিন্ন আয়োজন দেখে যে বিষয়গুলো আলোচনায় বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে তার কিছু অংশ নি¤েœ তোলে ধরছি।

১.চুক্তি বাস্তবায়নে আওয়ামীলীগ সরকার হাতে পেয়েছে একটানা ১১ বছর
চুক্তি স্বাক্ষরকারী ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগনেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০০৮ সাল থেকে টানা ১১ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন। এর আগে আরও প্রায় চার বছর হাতে পেয়েছেন কিন্তু এতো সময় হাতে পেয়েও চুক্তি সম্পাদনকারী সরকার চুক্তির পূর্ণবাস্তবায়ন করতে পারেনি।

২.২০০৮ সালে চুক্তির ৪৮টি ধারা বাস্তবায়িত হলে ১১ বছর পরেওবাস্তবায়িত ধারা ৪৮টিই কেন
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বর্ষপূতি উপলক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিবছর বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে থাকে। যেখানে মাননীয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী, চুক্তিবাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও সচিব শুভেচ্ছা বাণী দিয়ে থাকেন। এ চুক্তির ৪টি খন্ড ও ৭২টি ধারা রয়েছে। সরকারের পক্ষ্য থেকে বলা হচ্ছে চুক্তির ৪৮টি ধারা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়েছে ১৫টি ধারা আংশিক এবং ৯টি ধারা বাস্তবায়নের কাজ চলমান আছে। ২০০৮ সাল থেকেই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এ হিসেব দিয়ে আসছে তাহলে ২০১৯ এ এসেও একই সরকার ক্ষমতায় থেকে চুক্তিরবাস্তবায়িত ধারা ৪৮টির মধ্যে আটকে থাকবে কেন?

৩.চুক্তির মূল বিষয়গুলি অবাস্তবায়িত
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি পরিষদের মতে চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র ২৪টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে এবং মৌলিক বিষয়সমূহসহ দুই-তৃতীয়াংশ ধারা এখনো অবাস্তবায়িত অবস্থায় রয়েছে। চুক্তি মোতাবেক, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নি। পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা শাসন বন্ধ হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী অস্থায়ী সেনাক্যাম্পগুলো প্রত্যাহার করা হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি পাহাড়ি অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপগ্রহণ করা হয়নি। এটি একটি বিশেষ শাসিত অঞ্চল হিসেবে এর মর্যাদা সংরক্ষণ ও বজায় রাখতে পারেনি।বহিরাগত সেটেলারদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনক পুনর্বাসন করা হয় নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদকে শক্তিশালী করা হয়নি। ভূমি সমস্যাসহ চুক্তির মূল বিষয়গুলো অবাস্তবায়িত অবস্থায়ই রয়ে গেছে।

৪. তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদে নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়া হয় নি
নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন বিধিমালা ও ভোটার তালিকা যা পার্বত্য চুক্তি অনুসারে হওয়ার কথা। কিন্তু দীর্ঘ ২২ বছরে এর বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি এবং চুক্তি মোতাবেক পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী অধিবাসীদের নিয়ে এখনো ভোটার তালিকা তৈরি হয় নি। যার ফলে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

৫.পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন এখনো অকার্যকর
পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন ২০০১ এর বিরোধাত্মক ধারাগুলো সংশোধন করা হয় ২০১৬ সালে । কিন্তু এ কমিশনের কাজগুলোকে গতিশীল করার জন্য এখনো বিধিমালা তৈরি হয় নি। পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ বরাদ্দ, লোকবল, শাখা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা ও বিধিমালার অভাবে এ কমিশনের কাজ স্থবির হয়ে রয়েছে।

৬.অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু জুম্ম পরিবার পুনর্বাসিত হয় নি
এ সম্পর্কিত একটি টাস্কফোর্স গঠিত হয়েছে কিন্তু এখনো প্রত্যাগত জুম্ম শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ জুম্ম উদ্বাস্তু প্রায় ৯০ হাজার পরিবারকে তাদের স্ব স্ব জায়গাজমি প্রত্যর্পণ করে পুনর্বাসিত করা সম্ভব হয় নি।

৭.চুক্তির অলিখিত দলিল ঢাকা পড়েছে
লিখিত ধারাগুলোই যেখানে বাস্তবায়িত হচ্ছে না, চুক্তির সময় যে অলিখিত অঙ্গীকার ছিল সেটা সরকারের পক্ষ্য থেকে আর কেউ আলোচনায় আনছে না।২ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বলেন,বহিরাগত সেটেলারদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনক পুনর্বাসন বিষয়টি চুক্তির করার পূর্বে পিসিজেএসএস এর দাবি থাকা সত্ত্বেও সরকারের পক্ষ থেকে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে চুক্তিতে লিখিত ভাবে বিষয়টি আনা সম্ভব হয় নি। কিন্তু সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বহিরাগত সেটেলারদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনক পুনর্বাসন করবেন এটি চুক্তিতে লিখিতভাবে আনা লাগবে না। কিন্তু সেটারও কোন বাস্তবায়নের রূপ পরিলক্ষিত নয়।

৮.চুক্তির কোথাও ‘শান্তি’ শব্দটি নেই
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সংজ্ঞায়নে কোথাও ‘শান্তি’ শব্দটি নেই কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এ চুক্তি করা হয়েছে এবংসরকার এটিকে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি’ নামেই ব্যবহার করে আসছে। ১৯৯৭ সালে এ চুক্তির ফলে পাহাড়ে প্রায় ২৫ বছরের সশস্ত্র যুদ্ধের অবসান ঘটে। এ চুক্তি সম্পাদন করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসীম সাহসিকতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দেন। চুক্তির অপর পক্ষে ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা। রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে রাষ্ট্রের কাঠামোতে মর্যাদার সাথে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার একটি বড় স্বপ্ন নিয়ে তিনি এ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন। এ চুক্তি করার পর ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কারওলাভ করেন।

৯.পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত ও নানা গ্রুপের অস্তিত্ব
পার্বত্য চট্টগ্রাম আবারও অশান্ত হয়ে পড়ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে এখন পিসিজেএসএস ছাড়াও জেএসএস (এম এন লারমা), ইউপিডিএফ, ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) ও মগ পার্টি নামে বিভিন্ন পার্টির অস্তিত্বের কথা শোনা যায়। সেসাথে প্রায়ই পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের হত্যা, গুম, অবৈধ গেফতার, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, গ্রামাঞ্চলে তল্লাসী, নানাভাবে হয়রানি, ধর্ষণ, অশালীন আচরণ, ধরপাকড় ইত্যাদি কর্মকা-ে পাহাড়ে অশান্তি তৈরি হওয়ার খবর পাওয়া যায়। অনেকেই এই দলগুলোকে চুক্তি বাস্তবায়নে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন। চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন যেন না হয় সেজন্য তারা কাজ করে চলেছেন বলে তাদের ধারণা। কিন্তু এজন্যই কি চুক্তি থেমে আছে! অবশ্যই তারা রাষ্ট্রের চেয়ে বড় ক্ষমতাধর কোন গোষ্ঠী নয়। আবার অনেকে মনে করছেন, পার্বত্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়ার ফলে পাহাড়ে এ শক্তিগুলো দানা বাঁধছে। সেজন্য রাষ্ট্রকে এটি বিবেচনা করতে এবং আরো সচেতনী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তবে পিছপা হলে চলবে না। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ছিল কিন্তু সেজন্য কি দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা সম্ভব হয়নি! এখন স্বাধীন এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ইচ্ছে করলে চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করে পাহাড়ে কোন অসাধু শক্তিকে কী প্রতিহত করা সম্ভব নয়?

১০.আদিবাসীদের সাথে চালাকি ও বড় রকমের প্রতারণা
আদিবাসীদের স্বপ্ন দেখিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মতো ঐতিহাসিক চুক্তি করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাষ্ট্র ও সরকার প্রসংশিত হওয়ার পর যদি এ চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন না করা হয় তাহলে এটি হবে দেশের আদিবাসীদের সাথে সরকারের একটি বড় ধরণের চালাকি, ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা! তাই আদিবাসীদের কোন ধরনের ক্ষোভ ও অবিশ্বাস সৃষ্টির পূর্বেই রাষ্ট্রকে চুক্তির বাস্তবায়ন দেখাতে হবে। সেই সাথে এটিও মাথায় রাখতে হবে যে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা শুধু পাহাড়িদের একক সমস্যা না। এটি একটি জাতীয় সমস্যা। এ সমস্যা জিঁইয়ে রাখলে জাতীয় সমস্যাটিই রয়ে যাবে।

রাষ্ট্র এখন অনেক বেশি মনোযোগী পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি আনয়নে। হয়তো পার্বত্য চুক্তিতে কি লিখিত ও অলিখিত বিষয় রয়েছে সেটিও আর সেভাবে বিবেচ্য নয়! যতটুকু হয়েছে এখন চাই তার ওপর উন্নয়ন! সেজন্য লক্ষ্য করবেন এবারের ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও পার্বত্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার বিষয়টি দলের লক্ষ্য ও পরিকল্পনার মধ্যে স্থানপায় নি। যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে চুক্তি করা হয়েছে, চুক্তির সে ধারাগুলো যদি পূর্ণ বাস্তবায়িত না হয় কিংবা চুক্তিকে ঠিকভাবে অনুসরণ না করে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য জেলা পরিষদকে পাশ কাটিয়ে যদি কোন উদ্যোগ নেয়া হয় তাহলে সেটি চুক্তি ভঙ্গপর্যায়েই পড়বে। যার ফলে জটিলতা না কমে আরো বাড়বে। তাই তথাকথিত মানুষের উন্নয়ন দেখাতে গিয়ে হয়তো দেশের প্রবৃদ্ধির গড় বৃদ্ধি দেখানো সম্ভব কিন্তু সেটি সকল পর্যায়ের মানুষের উন্নয়ন কী করে হয়?মূল বিষয়কে আমলে নিয়ে না এগোতে পারলে পাহাড় আরো অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। তাতে প্রকৃত শান্তির সুবাতাস কখনই বয়ে আনবে না। তাই আর দেরি না করে পার্বত্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্রকে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।

……………………………………
সোহেল হাজং, সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক মন্তব্য