রাঙ্গামাটি টিটিসিতে ছাত্রী উত্যক্তকরণ নিয়ে উত্তেজনাঃ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বর্জন কর্মসূচি

রাঙ্গামাটি টিটিসিতে ছাত্রী উত্যক্তকরণ নিয়ে উত্তেজনাঃ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বর্জন কর্মসূচি

অতি সম্প্রতি রাঙ্গামাটি জেলা সদরস্থ রাঙ্গামাটি কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) পাহাড়ি এক ছাত্র কর্তৃক পাহাড়ি এক ছাত্রীকে উত্যক্ত করার ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ ছাত্ররা উত্যক্তকারীকে কিছু উত্তমমধ্যম প্রদান করে। বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে টিটিসির প্রিন্সিপালের উদ্যোগে নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া থাকলেও বহিরাগত একদল ছাত্রলীগ কর্মী টিটিসিতে অনুপ্রবেশ করে উত্যক্তকারী ছাত্র ছাত্রলীগের সদস্য দাবি করে উত্যক্তকারীর পক্ষ অবলম্বন করে এবং এক পর্যায়ে বিষয়টি রাজনীতিকরণের চেষ্টা করে উল্টো পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-র নেতৃস্থানীয় কর্মীসহ সাধারণ ছাত্রদের জড়িত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাভুক্ত ছাত্রদের মধ্যে কয়েকজন টিটিসিতে চলমান পরীক্ষার পরীক্ষার্থীও রয়েছে। বহিরাগত এক ছাত্রলীগ কর্মী কর্তৃক এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্র-ছাত্রীরা চলমান পরীক্ষা ও শ্রেণি কার্যক্রম বর্জনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। অপরদিকে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি ও স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা পূর্বক মামলা প্রত্যাহার করে ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের চেষ্টা না করে উল্টো ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের নানাভাবে চাপ, হুমকি দিয়ে জোরজবরদস্তি করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, পিসিপির পক্ষ থেকে মধ্যস্থতার ফলে উত্যক্তকারীর অভিভাবকগণ বিষয়টির মীমাংসা করতে সম্মত হলেও ছাত্রলীগ কর্মীরা তা বিরোধীতা করছে এবং উত্যক্তকারী ছাত্রকে তাদের হেফাজতে নজরবন্দি থাকতে বাধ্য করছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই ২০১৭, সকাল আনুমানিক ১১:৩০ টার দিকে রাঙ্গামাটি টিটিসি’র ওয়েল্ডিং ট্রেডের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী জুলি চাকমা (১৬) দ্বিতীয় তলার পরীক্ষা কক্ষ থেকে পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে আসার পথে অটোমোবাইল ট্রেডের ৯ম শ্রেণির ছাত্র ঝন্টু চাকমা (১৭) জুলি চাকমাকে অশালীন মন্তব্য করে এবং এমনকি গায়ে হাত দিয়ে উত্যক্ত করে। একসময় দুজনেই একই শ্রেণিতে পড়ত এবং তখন থেকে ঝন্টু জুলিকে অত্যক্ত করত বলে জানা যায়। বিব্রত ও বিরক্ত জুলি দ্বিতীয় তলা থেকে নীচে নেমে আসলে অন্যান্য শ্রেণি বন্ধুদের জানায় বিষয়টি। এভাবে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও বিষয়টি জেনে যায়। তখন ক্ষুব্ধ ছাত্র-ছাত্রীরা উত্যক্তকারী ঝন্টুকে খোঁজ করতে গেলে ততক্ষণে ঝন্টু তার পরীক্ষা দিতে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করে। এরপরও ছাত্র-ছাত্রীরা ঝন্টুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। ঝন্টু বের হলে ছাত্র-ছাত্রীরা তাকে নিয়ে প্রিন্সিপালের কাছে যেতে চায়। কিন্তু ঝন্টু রাজি না হলে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। কয়েকজন উত্তেজিত ছাত্র ঝন্টুকে কিছু উত্তম-মধ্যম দেয়।
এমন সময় টিটিসি ক্যাম্পাসের ফটকের পাশে থাকা জুরাছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পরিচয়ধারী জ্ঞানমিত্র চাকমা (২৮) ও ছাত্রলীগের একই শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ধারী রকি চাকমার নেতৃত্বে একদল বহিরাগত যুবক ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ঝন্টু জুরাছড়ি ছাত্রলীগের সদস্য বলে দাবি করে তার পক্ষাবলম্বন করে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের হুমকিধামকি দিতে থাকে। ছাত্র-ছাত্রীরা বিষয়টি প্রিন্সিপালকে জানায়। প্রিন্সিপাল তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং বিষয়টি টিটিসির অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করে তা টিটিসি কর্তৃপক্ষ সুরাহা করবে বলে জানান। জ্ঞানমিত্র চাকমা উদ্যতপূর্ণ ভঙ্গিতে ‘বিকল্প নেই, যারা ঝন্টুকে মেরেছে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদেরকে বহিস্কার করতে হবে’ বলে দাবি করে এবং তার দলবলসহ ঝন্টুকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। জানা গেছে, বিকেলের দিকে আওয়ামীলীগের রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সভাপতি দীপঙ্কর তালুকদার হাসপাতালে ঝন্টুকে দেখতে যান। এছাড়া সন্ধ্যা ৭:০০ টার দিকে ছাত্রলীগ রাঙ্গামাটি শহরে একটি লাঠি মিছিল বের করে। মিছিলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে পিসিপি ও জনসংহতি সমিতির বিরুদ্ধে এবং সমিতির নেতার নাম ধরেও বিভিন্ন উস্কানিমূলক ও আপত্তিকর শ্লোগান দেয়। এভাবে ছাত্রলীগ একটি সাধারণ ঘটনাকে বা ছাত্রী উত্যক্তকরণের ঘটনাকে রাজনীতিকীকরণ করে ছাত্রী উত্যক্ত করার মত অগ্রহণযোগ্য আচরণের পক্ষাবলম্বন করে, এমনকি বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা শুরু করে।
তারপরও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা ও পিসিপির নেতৃবৃন্দ প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক স্বার্থে এবং গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ঘরোয়াভাবে টিটিসি’র কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাতে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এজন্য প্রিন্সিপালের নিকট বারবার অনুরোধ জানায়। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে মামলা করার সম্ভাবনার কথা অবহিত করা হলে প্রিন্সিপাল মামলা হবে না বলে ছাত্র প্রতিনিধি ও পিসিপি’র নেতৃবৃন্দকে জানান।
কিন্তু ঐ দিনই রাতে জানা যায় যে, প্রতিষ্ঠান ও ঘটনার সাথে জড়িত না হওয়া সত্বেও জ্ঞানমিত্র চাকমা বাদী হয়ে টিটিসির পরীক্ষার্থী ছাত্র ও পিসিপির নেতৃস্থানীয় সদস্য ৭ জনসহ আরও অজ্ঞাতনামা ১৪ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়। মামলাভুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- (১) দীপায়ন চাকমা, ১০ শ্রেণি, উড-ওয়ার্কিং ট্রেড ও সভাপতি, পিসিপি’র টিটিসি শাখা, (২) সুপিয়ন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, পিসিপি’র শহর শাখা, (৩) যুবক কুমার ত ঙ্গ্যা, ১০ম শ্রেণি ও তথ্য ও প্রচার সম্পাদক, পিসিপি’র টিটিসি শাখা, (৪) পলাশ চাকমা, সভাপতি, পিসিপি’র শহর শাখা, (৫) জ্ঞানজ্যোতি চাকমা, ১০ শ্রেণি, উড-ওয়ার্কিং ও সহ-সাধারণ সম্পাদক, পিসিপি’র টিটিসি শাখা, (৬) শান্তশীল চাকমা, ১০ম শ্রেণি, জিএম ট্রেড ও সহ-সভাপতি, পিসিপি’র টিটিসি শাখা, (৭) সুমন্ত চাকমা, ১০ম শ্রেণি, উড-ওয়ার্কিং ও সাংগঠনিক সম্পাদক, পিসিপি’র টিটিসি কমিটি। এখানে উল্লেখ্য যে, পিসিপি’র শহর শাখার সভাপতি পলাশ চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক সুপিয়ন চাকমা যেমনি টিটিসির ছাত্র নয়, তেমনি ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোন প্রকার সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্বেও সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তাদেরকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এমতাবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীরা বাধ্য হয়ে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিগত ১২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া চলমান পরীক্ষা ও নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করে। জানা গেছে, বর্জনের কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে প্রথম দিনেই ৯ম শ্রেণির ৩১৯ জন ও ১০ম শ্রেণির ২২৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ জন পাহাড়িসহ মাত্র ৪৮ জন ছাত্র বাদে প্রায় সবাই স্বতস্ফূর্তভাবে টিটিসিতে আসা থেকে বিরত থাকে।
মামলার পর ১৮ জুলাই ২০১৭ সকালের দিকে পিসিপি’র একদল জেলা ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি প্রিন্সিপালের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং মামলা প্রত্যাহারসহ আলোচনার মাধ্যমে অচিরেই বিষয়টি নিষ্পত্তির অনুরোধ জানান। একই দিন বিকাল ৪:০০ টার দিকে একটি মাইক্রোবাস ও ২৬টি মোটর সাইকেল নিয়ে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করতে আসেন। এর কিছু সময় পরে, পিসিপি’র আরও একদল প্রতিনিধি প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করেন এবং সমাধানের বিষয়ে অগ্রগতির খবর জানতে চান। প্রিন্সিপালের বক্তব্য অনুযায়ী, ছাত্রলীগ ‘বিচার মানে, কিন্তু তাল গাছটা তাদের হতে হবে’ এজাতীয় সমাধান চায় বলে জানান। অর্থাৎ ছাত্রলীগ মামলা প্রত্যাহারে রাজী নয় বলে জানা যায়। অপরদিকে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধি ও পিসিপি’র প্রতিনিধিরা মামলা প্রত্যাহার করলেই বিষয়টি সমাধান হয়ে যায় এবং মামলা প্রত্যাহার না হলে মামলা মাথায় নিয়ে ছাত্ররা কোন অবস্থাতেই বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহারে রাজী নয় বলে জানান।
এরপর ১৯ জুলাই ২০১৭ সকালের দিকে পরীক্ষা শুরুর আগে একদল সেনাসদস্য টিটিসিতে আসে এবং পরীক্ষা শুরু করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু ঐদিনও পূর্ববর্তী দিনের মতই অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা বর্জন করলেও উপস্থিত স্বল্পসংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পরীক্ষা নেয়া হয়। অপরদিকে এদিন টিটিসিতে এডিএম, এএসপি ও ওসি প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করতে আসলেও সমাধানের কোন দিকনির্দেশনা দেখা যায়নি।
উল্লেখ্য যে, মামলার বাদী জুরাছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পরিচয়ধারী জ্ঞানমিত্র চাকমা টিটিসির সাথে যেমনি সম্পৃক্ত নন, তেমনি ঝন্টু চাকমার কোন আত্মীয় বা অভিভাবকও নন। এছাড়া যেহেতু ঝন্টু জুরাছড়ির বাসিন্দা নয়, বরং বাঘাইছড়ি এলাকারই বাসিন্দা, সেহেতু ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ঝন্টু জুরাছড়ি ছাত্রলীগের সদস্য দাবি করাও সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অযৌক্তিক বলে বিবেচনা করা যায়। কিন্তু তারপরও আওয়ামীলীগ, রাঙ্গামাটির সভাপতি দীপঙ্কর তালুকদার কর্তৃক ঝন্টুকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়া এবং এর পরপরই জ্ঞানমিত্র চাকমা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা, মামলায় পিসিপি’র সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা, পিসিপি ও জনসংহতি সমিতির বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়ে মিছিল করা ইত্যাদি ঘটনায় রাঙ্গামাটি ছাত্রলীগ ও দীপঙ্কর তালুকদারের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
জানা গেছে, টিটিসি’র ফটকের নিকটবর্তী বেদখলকৃত, বিতর্কিত ও মামলাধীন একটি জায়গায় জ্ঞানমিত্র চাকমা’র ‘সিএইচটি ফুড’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট-কাম-মদের দোকান রয়েছে। এই দোকানে প্রায় প্রতি রাত্রে আড্ডা, মদ ও জুয়ার আসর বসে। এমনকি কোন কোন সময় অসামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ড চলে বলেও এলাকাবাসীর অভিযোগ। প্রায় প্রতি মধ্যরাতে বা ভোর রাতে আড্ডার পর বহিরাগত বিভিন্ন ব্যক্তি সেখান থেকে চলে যায় এবং তাদের মোটর বাইকের শব্দে এলাকাবাসী অনেকের ঘুম ভেঙে বিরক্তির শিকার হন জানা যায়। জ্ঞানমিত্র চাকমার এই দোকানে ঝন্টু চাকমা বয় হিসেবে কাজ করে বলে জানা যায়।
এদিকে আরও জানা যায় যে, টিটিসি বর্জনের পাশাপাশি পিসিপি ও ছাত্র প্রতিনিধিরা ঝন্টুর অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে ঝন্টুর অভিভাবকরা কিছু জানে না বলেও জানান। ঝন্টুর অভিভাবকরা মামলা প্রত্যাহারে সম্মতি প্রকাশ করলেও বাদী জ্ঞানমিত্র ও ছাত্রলীগ তাতে বাধা দিচ্ছে বলে জানা যায়। এমনকি গত ২০ জুলাই হাসপাতাল ঝন্টুকে রিলিজ দেয়ার পর ঝন্টু হাসপাতাল ছেড়ে আসার পর ছাত্রলীগের সহায়তায় জ্ঞানমিত্র ঝন্টুকে তার হেফাজতে রেখে এক প্রকার নজরবন্দি করে রেখেছে বলে জানা যায়। শুধু তাই নয়, অভিভাবকরা ঝন্টুকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলেও ছাত্রলীগ তাতে বাধা দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
অপরদিকে, আরও দুঃখজনক অভিযোগ হল, জেলা প্রশাসন ও পুলিশসহ প্রশাসনের দায়িত্বশীল বিভিন্ন মহল বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনাপূর্বক সম্পূর্ণ সংকীর্ণ উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ না নিয়ে এবং সে বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে বরং ছাত্রদেরকে মামলা মাথায় নিয়ে অবাস্তব ও পক্ষপাতমূলকভাবে ছাত্ররা যাতে পরীক্ষা ও শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেয় সেব্যাপারে ছাত্র-ছাত্রী, এমনকি অভিভাবকদের নানাভাবে চাপ ও হুমকি প্রদান করে চলেছেন। অন্যায় আচরণের শিকার নিরীহ ছাত্রদের পক্ষ না হয়ে অন্যায়ের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের সামিল বলে বিবেচনা করা যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক মন্তব্য